রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
মনের মতো করেই শুরু হয়েছিল দিন। প্রথম ঘণ্টাতেই মিলেছিল তিন উইকেট। তাতে ভারত হয়ে যায় কোণঠাসা। কিন্তু এমন সময় নয় নম্বরে খেলতে নামা রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ক্যাচ হাতছাড়া করলেন মুমিনুল হক। সেই অশ্বিনই পরে ইনিংস সর্বোচ্চ রান করলেন। একই সঙ্গে জিতে নিলেন ম্যাচ।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে রবিবার সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচটি ৩ উইকেটে জিতে নেয় ভারত। ১৪৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে চতুর্থ দিন প্রথম সেশনেই জয় নিশ্চিত করে দলটি।
চট্টগ্রাম টেস্ট ১৮৮ রানে জিতেছিল ভারত। ফলে দুই ম্যাচে সিরিজে হোয়াইটওয়াশের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। এর আগে ওয়ানডে সিরিজ ২-১ এ জিতে নিয়েছিল টাইগাররা।
দুই ইনিংস মিলে ৬ উইকেট ও দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিংয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন অশ্বিন। সিরিজ সেরা হয়েছেন চেতেশ্বর পুজারা।
আগের দিনের ৪ উইকেটে ৪৫ রান নিয়ে দিন শুরু করে সফরকারীরা। দলীয় ৫৬ রানে উনাদকাটকে হারায় তারা। নাইটওয়াচ ম্যাচ উনাদকাটকে এলবিডব্লিউ করেন সাকিব। রিভিউ নিয়েও পার পাননি ভারতীয় ব্যাটার। ১৬ বলে ১৩ রান করে ফেরেন।
এরপর ২৮তম ওভারের শেষ বলে দলীয় ৭১ রানে পান্ত ফেরেন। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে এলবিডব্লিউ হন তিনি। ১৩ বলে ৯ রান করেন পান্ত।
এরপর অক্ষরকে ফিরিয়ে পাঁচ উইকেট পূরণ করেন মিরাজ। প্রথম ইনিংসে নিয়েছিলেন ১ উইকেট। টেস্ট ক্যারিয়ারে এনিয়ে নবম বার পাঁচ উইকেট হলো মিরাজের।
অক্ষর ৬৯ বলে ৩৪ রান করে ফেরার পর উইকেটে আসেন অশ্বিন। মুমিনুল হকের ব্যর্থতায় ব্যক্তিগত ১ রানে জীবন পান তিনি। মিরাজের বলে তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে আসা ক্যাচ শর্ট লেগে নিতে ব্যর্থ হন মুমিনুল।
এরপর শুধুই বাংলাদেশের হতাশার গল্প। ভাঙা যায়নি অশ্বিন-আইয়ার জুটি। অষ্টম উইকেটে ৭১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ম্যাচ বের করে নেন তারা। অথচ দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের আর কোনো জুটির রান ২০ পর্যন্তও যায়নি।
অশ্বিন ৬২ বলে ৪২ ও আইয়ার ৪৬ বলে ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের পক্ষে মিরাজ ৫ ও সাকিব নেন ২ উইকেট।